কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫ এ ০৫:২৪ PM
কন্টেন্ট: পাতা
এক নজরে a2i-এর যাত্রাপথ (২০০৬-২০২৫)
২০০৫ সালে তিউনিশিয়ায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ-আইটিইউ আয়োজিত WSIS (World Summit on the Information Society) সম্মেলনের ঘোষণায় সরকারী সেবাসমূহের ডিজিটাল রূপান্তরকে অত্যাবশ্যক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই সঙ্গে সেবা প্রদানের পদ্ধতিতে সংস্কার আনার কথা বলা হয়, যাতে সরকারী সেবাগুলি হয় সমতাভিত্তিক, স্বচ্ছ এবং হয়রানিমুক্ত। এরই ধারাবাহিকতায়, ২০০৬ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) বাংলাদেশের সম্পূর্ণ অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রকল্প শুরু হয়, যার নাম ছিল ‘একসেস টু ইনফরমেশন (a2i) প্রোগ্রাম’। প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় অক্টোবর ২০০৬-এ, এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছিল এর বাস্তবায়নকারী সংস্থা।
তথ্যপ্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে, a2i কাজ করে যাচ্ছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের তত্ত্বাবধানে, এবং UNDP বাংলাদেশের সহায়তায়—জনগণের জন্য দ্রুত, স্বচ্ছ, হয়রানিমুক্ত ও সহজলভ্য সেবা নিশ্চিত করতে। a2i সরকারী সেবা প্রদান ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এবং জনবান্ধব উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি নজিরবিহীন রূপান্তরে সহায়তা করছে, যেখানে সেবাগুলো হচ্ছে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও সহজপ্রাপ্য। এ সকল কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হলো—সেবাগ্রহণে সময়, খরচ ও ভিজিট হ্রাসের মাধ্যমে উচ্চমানের ও সন্তোষজনক সেবা প্রদান, এবং সেইসঙ্গে ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে আনা।
“কাউকে পেছনে ফেলে নয়” এই মন্ত্রকে ধারণ করে, a2i ধীরে ধীরে এর কর্মকাণ্ড ও অগ্রাধিকার খাতসমূহ বিস্তৃত করেছে। ২০২০ সালে প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে ‘একসেস টু ইনফরমেশন’ এর পরিবর্তে ‘এসপায়ার টু ইনোভেট’ রাখা হয়।